চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে এলাকাবাসীর সংঘর্ষের ঘটনায় আহত অন্তত ৪০ জনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আনা হয়েছে। তাদের সবার শরীরে আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে।
রোববার (৩১ আগস্ট) দুপুর আড়াইটার দিকে চট্টগ্রাম মেডিকেলের জরুরি বিভাগের সামনে দেখা যায়, সেখানে বিশ্ববিদ্যালয়ের তিনটি বাসে করে আহত শিক্ষার্থীদের নিয়ে আসা হয়েছে। বাসগুলো থেকে নামিয়ে একে একে আহত শিক্ষার্থীদের স্ট্রেচারে করে জরুরি বিভাগের ভেতরে নেওয়া হয়। কিছু শিক্ষার্থীকে অন্য সহপাঠীরা কোলে করে ভেতরে নিয়ে যান। আহতদের অনেকের মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন জায়গায় ব্যান্ডেজ দেখা গেছে।
চট্টগ্রাম মেডিকেলে কলেজ হাসপাতালের পরিচালক বলেন, ‘এখন পর্যন্ত ৪০ জনের মতো আহত শিক্ষার্থীকে আমাদের এখানে ভর্তি করা হয়েছে।’
আহতদের সঙ্গে থাকা চবি ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি মামুন উর রশীদ মামুন বলেন, অনেক শিক্ষার্থী আহত হয়ে চট্টগ্রাম মেডিকেলে ভর্তি হয়েছেন। বাসে করে এখনও আহতদের আনা হচ্ছে।
গতকাল রাত দেড়টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের এক নারী শিক্ষার্থীকে দারোয়ান কর্তৃক মারধরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন বিশ্ববিদ্যালয়ের ২ নম্বর গেট এলাকার স্থানীয় বাসিন্দারা। তারা মাইকে ঘোষণা দিয়ে দলে দলে সংঘর্ষে জড়ান। কয়েক ঘণ্টা ধরে উভয় পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। এতে অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী আহত হন। এর জের ধরে রোববার দুপুর ১২টা থেকে আবার সংঘর্ষ শুরু হয়। এই সংঘর্ষে আজও অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন।
এরআগে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. তানভীর মোহাম্মদ হায়দার আরিফ আহত হয়েছেন। পাশাপাশি খবরের কাগজের প্রতিনিধি আরাফকে সাংবাদিক পরিচয় জানানোর পরও আঘাত করা হয়।
চারুকলা ইন্সটিটিউট শিক্ষার্থী মো. লিখন রাজ বলেন, গতকাল রাতে আমাদের ওপর হামলা করা হয়। আর আজকে দুপুরে ১২টার দিকে সমঝোতা করতে গেলে ওরা আবার আমাদের ওপর হামলা চালায়। এতে অনেকে আহত হয়েছে।
খুলনা গেজেট/এনএম/এএজে